পোস্টগুলি

সিটি স্ক্যান কি?

ছবি
                                   কম্পিউটেড টমোগ্রাফি স্ক্যান সংক্ষেপে সিটি স্ক্যান নামে পরিচিত। এটি এক প্রকার এক্স-রে । তবে তফাত হচ্ছে এক্স-রে এর মত একটি ছবি নেয়া হয় না। এক্স-রে টিউবের আবর্তনের মাধ্যমে অসংখ্য ছবি নেয়া হয়। অনেকটা শরীর টুকরো করে প্রস্থচ্ছেদের ছবি নেয়ার মত। পরে ছবিগুলো কম্পিউটারে প্রক্রিয়াকরণের মাধ্যমে একত্র করা হয়। কেন করা হয় ? সিটি স্ক্যান করার মাধ্যমে শরীরের ভেতরের নিখুঁত ছবি পাওয়া যায়। ফলে বিভিন্ন রোগ নির্ণয়ে পরীক্ষাটি সহায়ক হয়। যেসব ক্ষেত্রে সিটি স্ক্যান করা হতে পারে: ·          ক্যান্সার বা টিউমার নির্ণয় , ·          মস্তিষ্কের রোগ বা মস্তিষ্কে নক্তক্ষরণ হয়েছে কিনা নির্ণয় , ·          হৃদযন্ত্রের কোন রোগ বা রক্ত প্রবাহে কোন বাধা রয়েছে কিনা জানতে , ·          ফুসফুসের রোগ নির্ণয় , ·   ...

কম্পিউটার আবিস্কারের ইতিহাস

ছবি
কে তৈরি করল এই জাদুর বাক্সটা ? এ প্রশ্নের উত্তরে সবার আগে চলে আসে চালর্স ব্যাবেজর নাম। মূলত তিনিই আধুনিক কম্পিউটারের জনক। কিন্তু কম্পিউটারের ইতিহাস প্রায় পাঁচ হাজার বছরে পুরোনো! সে সময় গ্রিক সভ্যতায় অ্যাবাক্যাস নামে এক ধরনের গণনা যন্ত্র আবিষ্কৃত হয়। পরবর্তীকালে চীনসহ পৃথিবীর বহুদেশেই অব্যাক্যাস ব্যবহুত হতো। এর পর কেটে যায় বহু বহু বছর। ১৬২৪ সালে ভিলহেলম স্কিকার্ড নামে এক বিজ্ঞানী তৈরি করলেন নতুন ধরনের এক ক্যালকুলেটিং ম্যাশিন বা গণনা যন্ত্র। কিন্তু তার সেই গণক যন্ত্র বিজ্ঞান মহলে সাড়া ফেলতে পারেনি। পাঠক , আরেক জন বিজ্ঞানীর নাম বলব। ব্রেইজ প্যাসকেল (১৬২৩-১৬৬২)। চাপ নির্ণয়ক সূত্রের জনক প্যাসকেলকে কম্পিউটারের ইতিহাসের মধ্যে টানা কেন ? বিশ্বাস হবে কিনা জানি না , তবে এটা সত্যি , পৃথিবীর প্রথম সার্থক ক্যালকুলেটিং মেশিন , বর্তমানে যাকে আমরা ক্যালকুলেটর বলি এর আবিষ্কর্তা ব্রেইজ প্যাসকেল। মাত্র উনিশ বছর বয়সে প্যাসকেল এই যন্ত্র আবিষ্কার করেন। পরবর্তী তিন বছরে প্যাসকেল এই যন্ত্রকে পঞ্চাশবার আপডেট করে ছিলেন। বাজারে সাড়া ফেলে দিয়েছিল প্যাসকেলের গণক যন্ত্র। এই যন্ত্র শুধু যোগ আর ...

এক্সরে,

ছবি
এক্স-রে   কি ? এক্স-রে   এক ধরনের তড়িৎ চৌম্বকীয় তরঙ্গ , যা সরলরেখা বা সোজা পথে গমন করে। সাধারণ আলোর জন্য অস্বচ্ছ পদার্থ যেমন কাঠ , পেশী , পোশাক , ইত্যাদির মধ্য দিয়ে এক্স-রে   গমন করতে পারে। তবে ক্যান্সার ক োষ , ধাতু , হাড় বা এ জাতীয় পদার্থের মধ্য দিয়ে এক্স-রে   যেতে পারে না। এক্স-রে -এর এ ধর্মটিই ব্যবহার করা হয় চিকিৎসা বিজ্ঞানে।   যেভাবে কাজ করে এক্স-রে   টিউব থেকে এক্স-রে   নির্গত হয়। অপর প্রান্তে এক্স-রে   ফিল্ম বা কম্পিউটারাইজড সেন্সর রাখা হয়। এ দুয়ের মাঝে রো গীকে রেখে এক্স-রে   চিত্র নেয়া হয়। ·          হাড় , ধাতু বা পাথর জাতীয় বস্তু সাদা ছায়া তৈরি করে। ·          বায়ুপূর্ণ এলাকা কালো ছায়া তৈরি করে। ·          পেশী , চর্বি এবং তরল ধূসর ছায়া তৈরি করে। ব্যবহার সাধারণত   দূর্ঘটনায় আঘাত পেলে হাড় ভেঙেছে কিনা বা কতটুকু ভেঙেছে সেটা নির্ণয়ে এক্স-রে   করা হয়। এছাড়া ক্যান্সার নির্ণয় , পেটে...

bKash এর অভিনব প্রতারণা থেকে সতর্ক থাকুন

গত ৮ অক্টোবর আসরের নামাজের পরপরই আমার মোবাইল নম্বরে একটি কল এলো। অতি বিনয়ের সাথে ভদ্রলোক বললেন, ‘আমার নাম সাগর, আমার বাড়ি কুমারখালী কুষ্টিয়া। বিপদে পড়ে আপনাকে ফোন দিতে বাধ্য হয়েছি। আমার একজন কাস্টমারের কিছু টাকা আপনার এই নম্বরে ভুলক্রমে চলে গেছে। অনুগ্রহপূর্বক একটু চেক করুন।’ মেসেজ চেক করে বললাম, ‘না, আসেনি’। ভদ্রলোক বললেন, কষ্ট করে আপনার বিকাশ অ্যাকাউন্টটি চেক করুন। আমি চেক করে বললাম, ‘আসেনি’। এবার বললেন, প্লিজ, একটু ভালো করে দেখুন, কত টাকা ছিল আর কত টাকা আছে, আবারো চেক করে বললাম, ‘ভাই, আমার একাউন্টে গত তিন দিনে কোনো টাকা আসেনি। পাঁচ হাজার ৩৬৫ টাকা ছিল। এখনো তা-ই আছে। এবার বললেন, ‘অনেক সময় মেসেজ দেরিতে আসে, যদি আসে কাইন্ডলি আমাকে জানাবেন।’ মাত্র দু’মিনিট পরই একটি মেসেজ এলো। চার হাজার ৫০০ টাকা আমার অ্যাকাউন্টে যোগ হলো। যথারীতি ভদ্রলোককে কল দিয়ে জানালাম। আমাকে চার হাজার ৪৪৫ টাকা পাঠানোর জন্য অনুরোধ জানালেন। সাথে সাথে তাকে চার হাজার ৪৪৫ টাকা প্রেরণ করলাম। কিন্তু দেখলাম, আমার নিজস্ব অ্যাকাউন্টস থেকে চার হাজার ৬৪০ টাকা কেটে গেছে। বাকি আছে মাত্র ৬৬৫ টাকা। কল দিয়ে বললাম- ‘ভাই, টাকাটা তো আম...

এসএমএস এর মাধ্যমে সিম পুনঃ নিবন্ধন করবেন যেভাবে, বিস্তারিত জেনে নিন

ছবি
প্রিয় বন্ধুরা, আশা করি সবাই ভাল আছেন। বর্তমানে মোবাইল এ যোগাযোগ আমাদের জীবনের অপরিহার্য একটা ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। সংগত কারণেই মোবাইল ফোন ব্যবহারসংক্রান্ত বিষয়াদি সুরক্ষিত ও নিরাপদ রাখতে যথার্থ পদক্ষেপ গ্রহণ করা আবশ্যক। তাই সম্প্রতি সিম পুনঃ নিবন্ধনের বিষয়টি আবারো সামনে এসেছে। এরই লক্ষ্যে বাংলাদেশের সরকার সব মোবাইল ফোনের নিবন্ধন নিশ্চিত করার প্রক্রিয়াও শুরু করেছে। দেখা যাচ্ছে যে, বেশিরভাগ ব্যবহারকারী সঠিক তথ্য না দিয়েই সিম নিবন্ধন করে ব্যবহার করছেন। ফলে এতে ব্যবহারকারীদের নিরাপত্তার প্রশ্নে যেমন ঝুঁকি আছে, তেমনিভাবে অপরাধীরা আরো বেশি অপরাধপ্রবণ হয়ে ওঠাসহ নিজেদের পরিচয় গোপন করে অনাকাক্সিক্ষত পরিস্থিতি তৈরি করবে এমন সম্ভাবনাও বাড়ছে । সঠিক পরিচয় না দিয়ে রেজিস্ট্রেশান না করার কারনে দিন অপরাধ প্রবনতা বারছে। তাই নিজের এবং সমাজের সকলের ভালর কথা ভেবে আমাদের সঠিক তথ্য দিয়ে সিম রেজিস্ট্রেশান করা উচিত। দেখা গেছে একটি আইডি দিয়ে হাজার হাজার সিম কেনা হয়েছে। আসল মালিকের সিম কোনটা সেটা কেউ জানে না। তাই আপনি চাইলে এস এম এস এর মাধ্যমে আপনার সঠিক সিম কোনটা সেটা নিশ্চিত করতে পারেন। তানা করলে...

আশ্চর্য এক পদার্থ “গ্রাফিন” নিয়ে কিছু কথা !

ছবি
গ্রাফিন  হচ্ছে একটি এক পরমাণু পাতলা পদার্থ যেটি বিজ্ঞানীরা ২০০৪ সালে আবিষ্কার করেছিলো। বর্তমানে বুলেটপ্রুফ উপাদান হিসেবেও গ্রাফিন ব্যাবহার করা হচ্ছে। এটি এখন পর্যন্ত আবিষ্কৃত কঠিন পদার্থ যেমন পলিএমাইড এবং ইস্পাতের তুলনায় অধিক কার্যকর। অন্যান্য যেকোনো কঠিন পদার্থ যেমন ইস্পাতের তুলনায় ১০ গুন পর্যন্ত বেশী আঘাত সহ্য করতে পারে। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের এক গবেষণায় এমন তথ্য পাওয়া গেছে। প্রতিবেদনটি প্রকাশ করেছে সায়েন্স সাময়িকীত। গ্রাফিন আসলে কার্বনের আরেকটি রূপভেদ। এটি অত্যন্ত পাতলা, সরু এবং স্বচ্ছ পাতের মতো যার ফলে এটি খুব সহজে তাপ ও বিদ্যুৎ পরিবহন করতে পারে। এবং এটির গঠন একক পরমাণুর বিন্যাসে তৈরি মৌচাকের মতো। যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাসাচুসেটস বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশেষজ্ঞ জে হওয়াং লি ও তার সহযোগীরা লেজার ব্যবহার করে সিলিকার তৈরি সূক্ষ্ম বুলেট পর্যবেক্ষণ করেন, যেগুলো গ্রাফিনের ১০ থেকে ১০০ স্তরের পাত ভেদ করেছিল। বুলেটবিদ্ধ হওয়ার আগে ও পরে গ্রাফিন গতিশক্তির স্তরগুলো তুলনা করে দেখেন তারা। ইলেকট্রন মাইক্রোস্কোপ যন্ত্রের সাহায্যে দেখা যায়, গ্রাফিন আঘাত পাওয়ার পর কোনাকুনিভাবে প্রসারিত হয়...

থ্রি-ডি(3D) বা ত্রিমাত্রিক সিনেমা

ছবি
আমরা দুই চোখে দেখি বলেই 3D দেখতে পাই ।এক চোখে কখনো 3D দেখা যায়না । আপনার এক চোখ বন্ধ করে আপনার একটি হাত নাক বরাবর কাছে দূরে নিন দেখবেন দূরত্ব সঠিক ভাবে পরিমাপ করতে পারছেন না । কিন্তু দুই চোখে তা খুব ভালভাবে পারছেন । আমাদের দুই চোখ মস্তিস্কে একই বস্তুর দুটি ছবি পাঠায়। ছবি দুটি সামান্য ভিন্ন । মস্তিস্কে ছবি দুটি একটির উপর আরেকটি আপতিত হয় । তখন বস্তুটি সম্পর্কে আ…মাদের 3D ধারণা স্পস্ট হয় । এই ধারনাকে কাজে লাগিয়ে 3D মুভি ও গেম বানানো হয় । আমাদের দুটি চোখের দুরত্ব যতটুকু ততটুকু দুরত্বে দুটি ক্যামেরা রেখে ভিডিও করা হয় [3D এনিমেশনেও দুটি ভিডিও থাকে ]। বাম পাশের ক্যামেরা দিয়ে করা ভিডিও হয় লালছে আর ডান পাশের ক্যামেরা দিয়ে করা ভিডিও হয় নীলছে । এরপর দুটি ভিডিও একই সাথে একই মনিটরে প্লে করা হয় । কিন্তু এটুকুতেই হয়ে গেল তা নয় । আসল কাজটাই বাকি রয়ে গেল । এখন দেখতে হবে কেমন দেখা যায় , আসলে 3D হয়েছে কি না । মনিটর অন করে দেখলাম কোথায় 3D , এতো 2D দেখা যাচ্ছে । ও, 3D চশমা পড়তে ভুলে গেছি । 3D চশমার বাম চোখের কাঁচ হয় লালচে আর ডান চোখের কাঁচ হয় নীলচে । ফলে বাম চোখে দেখা যায় শু...