পোস্টগুলি

পদার্থ বিজ্ঞান লেবেল থাকা পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

স্থির তড়িৎ (Electrostatics) এর গুরুত্বপুর্ন কিছু বিষয়

ছবি
বিন্দু চার্জঃ চার্জিত বা আহিত বস্তুর আকার যখন খুবই ক্ষুদ্র হয় তখন ঐ বস্তুর চার্জকে বিন্দু চার্জ বলে। কুলম্বের সুত্রঃ একটি নির্দিষ্ট মাধ্যমে দুটি বিন্দু চার্জের মধ্যে ক্রিয়াশীল আকর্ষন বা বিকর্ষন বলের মান চার্জদ্বয়ের গুণফলের সমানুপাতিক, চার্জ দুটির মধ্যবর্তী দূরত্বের বর্গের ব্যাস্তানুপাতিক এবং এই বল চার্জদ্বয়ের সংযোজক সরল রেখা বরাবর ক্রিয়া করে। 1C চার্জঃ সমধর্মী এবং সমান মানের দুটি চার্জকে শূন্য মাধ্যমে পরস্পর থেকে 1m দূরত্বে স্থাপন করলে এদের মধ্যে বিকর্ষন বলের মান যদি 9*10 9 N হয় তবে ঐ চার্জ দুটির প্রত্যেকটিকে একক চার্জ বা 1C চার্জ বলে। চার্জের নিত্যতাঃ চার্জের সৃষ্টি বা ধ্বংস নেই। চার্জের স্থানান্তর আছে;  যেমন- কাচ দন্ডকে রেশমি কাপড় দিয়ে ঘষলে কাচদন্ড থেকে যে পরিমান ঋণাত্মক চার্জ স্থানান্তরিত হয় রেশমি কাপড়ে ঠিক সেই পরিমাণ ঋণাত্মক চার্জের আবির্ভাব হয়। তড়িৎ মাধ্যমাঙ্ক বা পরা বৈদ্যুতিক ধ্রুবকঃ   দুটি তড়িৎ চার্জের মধ্যে নির্দিষ্ট দূরত্বে শূন্যস্থানে ক্রিয়াশীল বল এবং ঐ দুটি চার্জের মধ্যে একই দূরত্বে অন্য কোনো মাধ্যমে ক্রিয়াশীল বলের অনুপাত একটি ধ্রুব সংখ্যা। এই ধ্রুব সংখ...

এক নজরে তরঙ্গ অধ্যায়

ছবি
তরঙ্গ সংজ্ঞাঃ- যে পর্যাবৃত্ত আন্দোলন কোন জড় মাধ্যমের মধ্য দিয়ে অগ্রসর হয়ে একস্থানে থেকে অন্যস্থানে শক্তি সঞ্চারিত করে কিন্ত মাধ্যমের কণাগুলোকে স্থায়ীভাবে স্থানান্তরিত করে না তাকে তরঙ্গ বলে। অনুপ্রস্থ তরঙ্গঃ- যে তরঙ্গ মাধ্যমের কণাগুলো কম্পনের দিকের সাথে সমকোনে অগ্রসর হয় তাকে অনুপ্রস্থ তরঙ্গ বলে। অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গঃ- যে তরঙ্গ মাধ্যমের কণাগুলো কম্পনের দিকের সাথে সমান্তরালে অগ্রসর হয় তাকে অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ বলে।                                        তরঙ্গ দৈর্ঘ্যঃ- তরঙ্গের উপর অবস্থিত কোনো কম্পনশীল কনার একটি পূর্ণ কম্পন সম্পন্ন করতে যে সময় লাগে সেই সময়ে তরঙ্গ রৈখিক পথে যে দূরত্ব অতিক্রম করে তাকে তরঙ্গ দৈর্ঘ্য বলে। কম্পাংকঃ- তরঙ্গের উপর অবস্থিত কোনো কম্পনশীল কনা একক সময়ে যতগুলো পূর্ণ কম্পন সম্পন্ন করে তাকে কম্পাংক বলে ।  পর্যায়কালঃ-  তরঙ্গের উপর অবস্থিত কোনো কম্পনশীল কনার একটি পূর্ণ কম্পন সম্পন্ন করতে যে সময় লাগে তাকে ঐ তরঙ্গের পর্যায়কাল বলে। বিস্তা...

রাশি পরিচিতি এবং তার প্রকারভেদ সমূহ

রাশিঃ-   বস্তু জগতে পদার্থের যেসব ভৌত বৈশিষ্ট পরিমাপ করা যায় তাকে রাশি বলে। যেমনঃ- কোনো বস্তুর দৈর্ঘ , ভর , আয়তন , ভেগ , ত্বরণ , কাজ ইত্যাদি এক একটি রাশি। পদার্থবিজ্ঞানের অন্তর্ভুক্ত যে কোন রাশিকে ভৌত রাশি বলে। ভৌত রাশি কে ২ ভাগে ভাগ করা হয়েছে- ১) স্কেলার রাশি বা অদিক রাশি । ২) ভেক্টর রাশি বা সদিক রাশি।   ১) স্কেলার রাশি বা অদিক রাশিঃ-   যেসব ভৌত রাশিকে সম্পুর্নভাবে প্রকাশ করতে শুধু মানই যথেষ্ট , কোনো দিক নির্দেশের প্রয়োজন হয় না তাকে স্কেলার রাশি বলে। যেমনঃ- দৈর্ঘ , ভর , সময় , ক্ষেত্রফল , আয়তন ইত্যাদি। ২) ভেক্টর রাশি বা সদিক রাশিঃ-   যেসব ভৌত রাশিকে সম্পুর্নভাবে প্রকাশ করতে মান ও দিক উভয়ের প্রয়োজন হয় তাকে ভেক্টর রাশি বলে। যেমনঃ- সরণ , বেগ , ত্বরণ , মন্দন , বল , ওজন ইত্যাদি। বিভিন্ন ভৌত রাশি ও তাদের একক সমূহ রাশি   প্রতীক দৈর্ঘ ( Length) l ভর ( Mass ) m সময় ( Time ) t সরণ ( Displacement ) s ক্ষেত্রফল ( Area ) A আয়তন...

ঘনত্ব কাকে বলে.

ছবি
ঘনত্ব আয়তনঃ   কোন বস্তু যে জায়গা জুড়ে থাকে   তাকে এর আয়তন বলে । ঘনত্বঃ   কোন বস্তুর একক   আয়তনের ভরকে   তার উপাদানের   ঘনত্ব   বলে । ঘনত্ব পদার্থের একটি সাধারণ ধর্ম । ঘনত্ব বস্তুরউপাদানের ও তাপমাত্রার উপর নির্ভরশীল । ঘনত্বকে   ρ দ্বারা প্রকাশ কর হয়   m ভরের কোন বস্তুর আয়তন v হলে , ঘনত্ব ρ  হবে ,  ঘনত্বের মাত্রা ঘণত্বের একক   সমান আয়তনের এক টুকরা কর্ক এবং এক টুকরা লোহা পানিতে ছেড়ে দিলে দেখা যাবে কর্কের টুকরা ভেসে আছে   আর লোহার টুকরা ডুবে গেছে । সাধারণ ভাবে বলা যায়   কর্কের চেয়ে   লোহার ঘনত্ব বেশি তাই ডুবে গেছে । আসলে আয়তন সমান হলেও যার ঘনত্ব বেশি সেটি ভারী   আর   যার ঘনত্ব কম সেটি   হালকা জর্ডানে অবস্থিত মৃত সাগরে পানিতে লবণ এবং অপদ্রব্য বেশি থাকার কারণে পানির ঘনত্ব এত বেশি যে মানুষ পানিতে ভেসে থাকতে পারে। কয়েকটি পদার্থ এবং তাদের ঘনত্বঃ দৈনন্দিন জীবনে ঘনত্বের ব্যবহারঃ ·          হাইড্রোজেনের ঘনত্ব বায়ুর ঘনত্ব থেকে কম...

প্যাসকেলের বলবৃদ্ধিকরণ নীতি,

ছবি
প্যাসকেলের সূত্রঃ   আবদ্ধ পাত্রে তরল বা বায়বীয় পদার্থের কোনো অংশের উপর বাইরে থেকে চাপ প্রয়োগ করলে সেই চাপ কিছু মাত্র না কমে তরল বা বায়বীয় পদার্থের সবদিকে সমানভাবে সঞ্চালিত হয় এবং তরল বা বায়বীয় পদার্থের সংলগ্ন পাত্রের গায়ে লম্বভাবে ক্রিয়া করে। প্যাসকেলের সূত্রের গাণিতিক ব্যাখ্যা : বলবৃদ্ধিকরণ নীতি   আবদ্ধ তরল পদার্থের ক্ষুদ্রতম অংশের উপর পিস্টন দ্বারা কোনো বল প্রয়োগ করলে এর বৃহত্তম পিস্টন   সেই বলের বহুগুন বেশি বল প্রযুক্ত হতে পারে। একে বল বৃদ্ধিকরণ নীতি বলে।   বড় পিস্টনের ক্ষেত্রফল যত বেশি হবে বলও তত বেশি অনুভুত হবে

ওহমের সূত্র সমূহ,

ওহমের সূত্র ( Ohm’s Law) মান বিজ্ঞানী ড: জর্জ সাইমন ওহম কারেন্ট , ভোল্টেজ এবং রেজিস্ট্যান্সের মধ্যে সম্পর্ক নির্ণয় করেন , এ সম্পর্কই ওহমের সূত্র ( Ohm's Law) নামে পরিচিত। কোন পরিবাহীর মধ্য দিয়ে সুষম উষ্ণতায় প্রবাহিত কারেন্ট ঐ পরিবাহীর দুপ্রান্তের ভোল্টেজের   সমানুপাতিক। অথবা কোন পরিবাহির ভিতর দিয়ে স্থির তাপমাত্রায় প্রবাহিত কারেন্ট ঐ পরিবাহির দুপ্রান্তের বিভব পার্থক্যের   সমানপাতিক এবং রেজিস্ট্যান্সের বাস্তানুপাতিক। ওহমের সূত্র মতে , কোন পরিবাহীর দুই প্রান্তের বিভব পার্থক্য V এবং প্রবাহিত কারেন্ট I হলে , V α I বা , V = IR         এখানে , R = পরিবাহীর রেজিস্ট্যান্স (সমানুপাতিক ধ্রুবক) ওহমের সূত্রের সীমাবদ্ধতা: ওহমের সূত্রকে যদিও ইলেকট্রিসিটির গুরু বলে মানা হয় , এর কিছু সীমাবদ্ধতা আছে ১. ওহমের সূত্র DC এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য , AC এর ক্ষেত্রে নয়। ২. তাপমাত্রা পরিবর্তন হলে ওহমের সূত্র প্রযোজ্য নয়। ৩. তাপমাত্রা স্থির থাকলেও সিলিকন কার্বাইডের ক্ষেত্রে ওহমের সূত্র প্রযোজ্য নয়। ৪. জটিল সার্কিট সমূহ ওহমের সূত্রে...

আর্কিমিডিস এর সূত্র

সাইরাকিউসের সম্রাট হিয়েরো এক স্বর্ণকারকে দিয়ে একটি সোনার মুকুট তৈরি করেছিলেন। মুকুটটি হাতে পাওয়ার পর সম্রাটের মনে হলো এর মধ্যে খাদ মেশানো আছে। স্বর্ণকার খাদের কথা অস্বীকার করল। এতে সম্রাটের মনের সন্দেহ দূর হলো না। তিনি প্রকৃত সত্য নিরূপণের ভার দিলেন রাজদরবারের বিজ্ঞানী আর্কিমিডিসের ওপর। মহা ভাবনায় পড়ে গেলেন আর্কিমিডিস। সম্রাটের আদেশে মুকুটের কোনো ক্ষতি করা যাবে না। আর্কিমিডিস ভেবে পান না মুকুট না ভেঙে কেমন করে তার খাদ নির্ণয় করবেন। কয়েক দিন কেটে গেল। ক্রমশই অস্থির হয়ে ওঠেন আর্কিমিডিস। একদিন দুপুরে মুকুটের কথা ভাবতে ভাবতে সব পোশাক খুলে চৌবাচ্চায় স্নান করতে নেমেছেন। পানিতে শরীর ডুবতেই আর্কিমিডিস লক্ষ্য করলেন কিছুটা পানি চৌবাচ্চা থেকে উপচে পড়ল।মুহূর্তে তার মাথায় এক নতুন চিন্তার উন্মেষ হলো। এক লাফে চৌবাচ্চা থেকে উঠে পড়লেন। তিনি ভুলে গেলেন তার শরীরে কোনো পোশাক নেই। সমস্যা সমাধানের আনন্দে নগ্ন অবস্থাতেই ছুটে গেলেন রাজদরবারে। মুকুটের সমান ওজনের সোনা নিলেন। একপাত্র পানিতে মুকুটটি ডোবালেন। দেখা গেল খানিকটা পানি উপচে পড়ল। এবার মুকুটের ওজনের সমান সোনা নিয়ে জলপূর্ণ পাত্রে ডোবান...

দীপন ক্ষমতা কী।

কোনো আলোক উৎসের দীপন ক্ষমতা বলতে আমরা বুঝি আলোক সৃষ্টির ব্যাপারে ঐ উৎস কত তীব্র অর্থাৎ একটা উৎস থেকে কী হারে আলোকশক্তি নির্গত হচ্ছে দীপন ক্ষমতা দ্বারা তা বুঝা যায়। কোনো বিন্দু উৎস থেকে প্রতি সেকেন্ডে কোনো নির্দিষ্ট দিকে একক ঘণকোনে যে পরিমান আলোক শক্তি নির্গত হয় তাকে ঐ উৎসের দীপন ক্ষমতা বলে। আন্তর্জাতিক পদ্ধতিতে যে সাতটি রাশিকে মৌলিক রাশি হিসেবে ধরা হয়েছে দীপন ক্ষমতা তার একটি। এর সংকেত I এবং একক ক্যান্ডেলা (Candela).

সরল দোলগতি ।

ছবি
সরল দোলগতিঃ- কোনো বস্তুর ওপর ক্রিয়াশীল বল যদি সর্বদা বস্তুর গতিপথের মধ্য বিন্দুর অভিমুখী হয় এবং বিন্দু থেকে বস্তুর সরণ সমানুপাতিক হয়, তবে সে বলের অধীনে বস্তুর গতিকে সরল দোল গতি বলে।  সরল দোলকের গতি, সুরশলাকার গতি সরল দোলগতির উদাহরণ।

Electronics/ইলেকট্রনিক্স

১ । Electric   Power ( পাওয়ার )   বা   বৈদ্যুতিক   ক্ষমতা   কি ? উত্তরঃ   বৈদ্যুতিক শক্তি ব্যবহারের হারকে বৈদ্যুতিক ক্ষমতা বা Power ( পাওয়ার) বলে। সার্কিটের ভোল্টেজ ও এম্পিয়ার এর গুণফল হিসাবে Power ( পাওয়ার) পাওয়া যায়। পাওয়ার-এর একক Watt ( ওয়াট) বা Kilo Watt ( কিলো ওয়াট) ।        অর্থাৎ     P = VI        [ পাওয়ার = ভোল্টেজ   X   কারেন্ট] ২ । Electric   Energy ( এনার্জি )   বা বৈদ্যুতিক শক্তি   কি ? উত্তরঃ   বৈদ্যুতিক ক্ষমতা বা Power কোন সার্কিটে যত সময় কাজ করে পাওয়ারের সাথে উক্ত সময়ের গুণফলকে বৈদ্যুতিক শক্তি বা Energy  বলে। Energy- রএকক Watt-hour বা Kilowatt-hour ।         অর্থাৎ Energy,   W=P×T                [P = Power  ,  T = Time]   ৩ ।   বৈদ্যুতিক   নেটওয়ার্ক কি ? উত্তরঃ ...